বাংলা সাহিত্য এবং বাংলা ভাষায় সংকলিত লিখা যা সাহিত্য চর্চা ও সকল শ্রেণীর মানুষের জ্ঞান বিকাশে সহায়ক তা সকলের নিকট পৌছে দেয়াই আমাদের অভিপ্রায়। www.banglasahitto.com
Sunday, August 18, 2019
আধুনিক বাইবেল-বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য | পর্ব ২
এদিকে মথির ৩x১৪- এর অর্থ খুজতে গিয়ে কার্ডিন্যাল ডানিয়েলুর মতো বিজ্ঞ লেখকও অদ্ভুত সব ধ্যান-ধারণার পরিচয় দিয়েছেন। আমরা সুধি পাঠক-পাঠিকাবর্গের অবগতির জন্য তার কিছুটা নমুনা তুলে ধরছি। যেমন, “এর দ্বারা যা বুঝানো হয়েছে, তা ইহুদী মারফতী-ভেদের অতি সাধারণ দশ সপ্তাহের গুপ্ত রহস্য। হজরত আদম থেকে হজরত ইবরাহীম পর্যন্ত যে সময়কাল, তার জন্য ধরা হয় প্রথম তিন সপ্তাহ। দশ সপ্তাহের দশ থেকে এই তিন বাদ দিলে বাকি থাকে সাত। এর থেকে ছয় নিয়ে সাতের সাথে গুণ করলেই পাওয়া যাবে ১৪-নামের ৩-গ্রুপের গুণফল। বাকি যে সপ্তাহটি থাকে, সেই সপ্তমের শুরু যীশুখ্রীস্ট থেকেই; কেননা তিনি যে সময়ে আবির্ভূত হয়েছেন, তা থেকেই সূচনা ঘটেছে বিশ্বের সপ্তম জামানার।” এ ধরনের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ সম্পর্কে “মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন' ছাড়া আর কি কথাই বা বলা যেতে পারে, বলুন! more...
আধুনিক বাইবেল-বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য
কার্ডিন্যাল ডানিয়েলু তার “দি গসপেল অব চাইন্ডহুড” (১৯৬৭) নামক পুস্তকে” মথির এই “সংখ্যাতাত্ত্বিক চাতূর্যের' প্রতীক-অর্থ নিয়ে সর্বাধিক গুরুত্বসহকারে এমনভাবে আলোচনা করেছেন যেন এর মধ্যেই যীশুর বংশ-তালিকার সকল প্রমাণ নিহিত । উল্লেখ্য যে, লুকও এই বিষয়টার উপরে গুরুত্ব দিয়ে গেছেন। কার্ডিন্যাল ডানিয়েলুর মতে, মথি ও লুক উভয়েই ছিলেন “ঐতিহাসিক' এবং তাদের “ঐতিহাসিক অনুসন্ধান' সাফল্যজনকভাবে সম্পন্ন করার পরই তারা “এই বংশ-তালিকা' গ্রহণ করেছেন- “খোদ যীশুখ্রীস্টের পারিবারিক মোহাফেজখানা বা সংরক্ষণাগার থেকে ।' বলাই বাহুল্য যে, যীশুখ্রীস্টের এ ধরনের পারিবারিক মোহাফেজখানার কোনো অস্তিত্ব কখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি । more...
বাইবেলের নতুন নিয়ম | পর্ব ৫
ফাদার কানেনগিয়েসার যাতক বলেছেন, 'বিরুদ্ধপক্ষীয়দের মোকাবেলায় রচিত' যীশুশ্বীস্ট সংক্রান্ত নানা ধরনের বিতর্কের মোকাবেলায় তখন সে ধরনের পৃস্তক প্রচুর পরিমাণে রচিত হয়েছিল । আর এসব রচনা! অধিক মাত্রায় প্রকাশিত হচ্ছিল তখন, যখন পৌলের মতবাদের ধারায় গড়ে ওঠা খ্রীস্টধর্ম অন্যান্য খ্রীস্টান মতবাদের উপরে সুনিশ্চিতভাবে বিজয় লাভ করছিল। বলা অনাবশ্যক ৩৯ এই পর্যায়ে এই বিজয়ী পক্ষ এসব রচনা থেকে যাচাই-বাছাই করে নিয়ে নিজেদের জন্য অফিসিয়াল বা সরকারীভাবে স্বীকৃত সুসমাচারের পুস্তক সংকলন করে পরবর্তীকালে এই অফিসিয়াল সুসমাচারসমূহ প্রামাণ্য হিসাবে গৃহীত হয় এবং বাদবাকি যাবতীয় রচনা- যেগুলি তখনকার পোলীয় খ্রীস্টান গির্জাসংস্থা কর্তৃক অনুসৃত ধর্মীয় মতবাদের বিরোধী বলে সাব্যস্ত হয়েছিল- সেগুলি অপ্রামাণ্য হিসাবে হয় নিন্দিত ও বর্জিত। more...
বাইবেলের নতুন নিয়ম | পর্ব ৪
পৌলীয় খ্রীস্টানেরা রাজনৈতিক ও সামজিকভাবে ইহুদীদের থেকে নিজেদের আলাদা করে দিতে সক্ষম হলোঃ তারা হয়ে পড়ল তৃতীয় একটি গোষ্ঠী। কিন্তু তবুও ১৪০ খ্রীষ্টাব্দে ইহিুদীদের বিদ্রোহ ঘোষণার আগে পর্যন্ত জুডিও-ক্রিশ্চিয়ানদের মতবাদই সাস্কৃতিক ক্ষেত্রে নিজেদের প্রাধান্য বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছিল।” more...
Saturday, August 10, 2019
বাইবেলের নতুন নিয়ম | পর্ব ৩
কাডিন্যাল ডানিয়েলু তাঁর নিবন্ধের এই পর্যায়ে জুডিও-ক্রিশ্চিয়ানদের ধর্মীয়-রচনার উদ্ধৃতি তুলে ধরে এই সম্প্রদায়ের লোকেরা যীশুকে যে কি চোখে দেখতেন, তারও বর্ননা দিয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে গোড়াতেই যীশুর সঙ্গি-সাথি তথা প্রেরিতদের কেন্দ্র করে এই জুডিও-ক্রিশ্চিয়ান সম্প্রদায় গড়ে উঠেছিল। তাঁরা ধর্মগ্রন্থ হিসেবে গ্রহন করে ছিল হিব্রু ভাষায় রচিত সুসমাচারসমূহ (মিসরের এক জুডিও-ক্রিশ্চিয়ান সম্প্রদায়ের নিকট থেকে এই হিব্রু সুসুমাচারগুলি পাওয়া গেছে); ক্লেমেন্ট রচনাবলী, যেমন- হোমিলিস ও রিকগনিশনস, হাইপোটাই পোসিস; জেমস-এর দ্বিতীয় এ্যাপোক্যলিপস এবং টমাস রচিত সুসমাচার। more...
বাইবেলের নতুন নিয়ম | পর্ব ২
এই সময়কার খ্রীস্টধর্ম-সম্পর্কিত বহূ তথ্য ইতিমধ্যে আবিষ্কৃত হয়েছে এবং আবিষ্কৃত এইসব তথ্যের ভিত্তিতে আধুনিক অনেক গবেষনাও হযেছে পরিচালিত। এই গবেষকদের মধ্যে অন্যতম হলেন কার্ডিন্যাল ডানিয়েলু। ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বরে তিনি স্টাডিজ পত্রিকার ‘এ নিউ রিপ্রেজেন্টেশন অব দি অরিজন্স অব ক্রিশ্চয়ানিটিঃ জুডিও- ক্রিশ্চিয়নিটি’ নামে এক প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। এই প্রবন্ধে তিনি এতদসংক্রান্ত অতীতের যাবতীয় রচনাবলী পর্যলোচনা করেন এবং ইতিহাসের ধারা অনুসরন করে বাইবেলের সুসমাচারগুলি কখন রচিত হয়েছিল, ,তার সঠিক সময়কাল সম্পকে আমাদের অবহিত করেন। । অধুনা জনগনের মধ্যে যে সব বাইবেল প্রচলিত, সেগুলিতে নতুন নিয়মের সুমাচার সুমাচার রচনার যে সময়কাল উল্লেখ রয়েছে, কার্ডিন্যাল ডানিয়েলুর গবেষনার মধ্যমে প্রাপ্ত সময়কাল তা থেকে সম্পূর্ন ভিন্ন। আমি এখানে তাঁর সেই নিবন্ধের সংক্ষিপ্তসার প্রয়েজনীয় উদ্বৃতিসহ তুরে ধরছিঃ more...
Friday, August 9, 2019
বাইবেলের নতুন নিয়ম
বেশির ভাগ খ্রীস্টানই-বিশ্বাস করে যে, বাইবেলের সুসমাচারসমূহ (ইঞ্জিল-১-৪ খণ্ড) রচিত হয়েছে এমন সব ব্যাক্তির দ্বারা যাঁরা যাঁরা ছিলেন যীশুখ্রীস্টের জীবনের ঘটনাবলীর প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী। সুতরাং এইসব সুসমাচার যীশুখ্রীস্টের জীবনী ও তাঁর প্রচারর্কয সম্পর্কে যে সব বর্ননা লিপিবদ্ধে আছে। সেগুলি র্তকাতীতভাবেই সত্য ও প্রমান্য। এখ্যানে স্বাভাতই যে প্রশ্নটি জাগে তা হলো সুসমাচারসমূহের প্রমানিকতার এই গ্যারান্টি সত্বেও এসবের মধ্যে বর্নিত যীশুর শিক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়ে এত প্রশ্ন উঠতে পারে এবং যীশুর নির্দেশে গঠিত গির্জার প্রতিষ্টানগত বৈধতা নিয়েই বা কিভাবে কেউ সন্দেহ পোষন করতে পারেন? যত প্রশ্ন উঠুক এভাবেই অধুনা বাইবেলের যেসব জনপ্রিয় সংষ্কার প্রমানিত হচ্ছে, সেগুলিতে হমেসা এ ধরনের সস্তা বক্তব্য তুলে ধরে প্রশ্নকারীদের মুখ বন্ধ রাখার প্রবনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।। more...
Subscribe to:
Posts (Atom)






